মন্দিরের ঘণ্টা কিংবা মসজিদের আজান,
গুম্ফার নীরবতা কিংবা চার্চের প্রার্থনা...
কেউতো চায়নি,তাদের আত্মনিবেদনের দীপশিখায়
পুড়ে মরুক তার জন্মদাত্রী কিংবা তার নিষ্পাপ শিশু!
চেয়েছিল একটা আলোকিত পথ;
যে আলোয় ধুয়ে যাবে,অন্তরের অন্তঃপুরের সব অন্ধকার।
জন্মলগ্নে আমার ধর্ম আইন দ্বারা নিশ্চিত,পরিচয় রয় অজ্ঞাত!
বাবার সাধের গৃহলক্ষ্মী,শ্রেষ্ঠতমা,নির্ভীক।
জানিনা,আদৌ কতটা ঠিক যোগ্য?
আমার আসল পরিচয় হ’ল, “আইনত আমি হিন্দু”।
শ্রেয়সী হয়ে জন্ম,তবে মৃত্যুমুহূর্তে হয়তো প্রেয়সী ..
মৃত্যুলগ্ন ঠিক জানা নেই,জীবন চরম অনিশ্চিত।
তবু জেনে রাখো,
আইন আমায় কর্ম দেয়নি,ধর্ম করেছে নিশ্চিত!!!
পৃথিবীর বুকে ভূমিষ্ঠ হওয়া সদ্যজাত শিশু,
মাতৃবক্ষ আঁকড়ে বাঁচে,বিভেদ হয়না কিছু।
ভাবতে পারো,এটাই সত্যি!
“শিশুর ধর্ম হিন্দু নাকি মুসলিম?”
জন্মলগ্নে আইনত তা করা হয়ে গেছে নিশ্চিত!
আমরা কি পারিনা,একটা সদ্যপ্রস্ফুটিত প্রাণকে শেকড়চ্যুত না ক’রে
কোন অদূর ভবিষ্যতের পূর্ণতা উপহার দিতে?
বোমা বন্দুকের হিংস্র গর্জনে নয়,
স্নিগ্ধ ভালবাসার পবিত্রতা আর শিক্ষার দৃপ্তস্পর্শে,
‘গর্জে উঠুক’ তার মনুষ্যত্ববোধ।
তার পরিচয়,সে ‘মানুষ’...ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।।
কূটনৈতিক চাল বা রাজনৈতিক বেড়াজাল নয়,
ভেক ধার্মিকতার মুখোশ বা আতঙ্কবাদের চোখ রাঙানি নয়,
সাম্প্রদায়িকতা কিংবা জেহাদের নৃশংসতা নয়,
বাবরি মসজিদ আর রাম মন্দিরের অন্তর্দ্বন্দ্বে নয়,
শুধুই অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান সংস্থানের যান্ত্রিকতায়
হাঁপিয়ে ওঠা প্রাণ,অনিশ্চিত লক্ষ্যহীন-
‘ভবিষ্যৎময়’ জীবনকে টানতে টানতে নয়,
সমাজের নিয়মচালিত যন্ত্রে নিখোঁজ নিষ্পেষিত সত্ত্বা,
‘আমিত্ব’-এর ভারসাম্য হারিয়ে নয়,
আত্মকেন্দ্রিকতার কেন্দ্রে ঘুরপাক খেতে খেতে নয়,
মূল্যহীন মূল্যের টানে মূল্যবোধ হারিয়ে-
মৌলিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ছুটতে ছুটতে নয়,
কিংবা নিজের ‘পদমর্যাদা’র গাম্ভীর্যে...
অমর মহত্বকে রাস্তার মোড়ের
প্রাণহীন নিশ্চলতার শিলারূপ দিয়ে নয়,
সম্মান জানানোর অভিনয়ে,বিবেকবোধ খুইয়ে নয়।
সে বাঁচুক.....তোমার আমার ভালোবাসার প্রতীক হয়ে।
একটা শান্ত,স্নিগ্ধ,নিষ্পাপ,আইনের জটিলতাবিহীন ‘পৃথিবীর নাগরিক’ হয়ে।
আর বাঁচুক,আরেকটা ভবিষ্যতকে পূর্ণতা দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে,
ঘর বাঁধার স্বপ্নের বাস্তবায়নে।
দেশ-কাল-ধর্মের সব কাঁটাতার ফুঁড়ে
মানুষের জন্য,মানুষের ভিড়ে।
তার চিরনবীন দৃপ্ত হৃদস্পন্দনে প্রতিধ্বনিত হোক ‘তীব্র ভালোবাসা’।
তার শেষ রক্তবিন্দুতে লেগে থাকুক উষ্ণতা ‘ভালোবাসা’-র।
তার পরিচয়,সে ‘মানুষ’...ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।।
গুম্ফার নীরবতা কিংবা চার্চের প্রার্থনা...
কেউতো চায়নি,তাদের আত্মনিবেদনের দীপশিখায়
পুড়ে মরুক তার জন্মদাত্রী কিংবা তার নিষ্পাপ শিশু!
চেয়েছিল একটা আলোকিত পথ;
যে আলোয় ধুয়ে যাবে,অন্তরের অন্তঃপুরের সব অন্ধকার।
জন্মলগ্নে আমার ধর্ম আইন দ্বারা নিশ্চিত,পরিচয় রয় অজ্ঞাত!
বাবার সাধের গৃহলক্ষ্মী,শ্রেষ্ঠতমা,নির্ভীক।
জানিনা,আদৌ কতটা ঠিক যোগ্য?
আমার আসল পরিচয় হ’ল, “আইনত আমি হিন্দু”।
শ্রেয়সী হয়ে জন্ম,তবে মৃত্যুমুহূর্তে হয়তো প্রেয়সী ..
মৃত্যুলগ্ন ঠিক জানা নেই,জীবন চরম অনিশ্চিত।
তবু জেনে রাখো,
আইন আমায় কর্ম দেয়নি,ধর্ম করেছে নিশ্চিত!!!
পৃথিবীর বুকে ভূমিষ্ঠ হওয়া সদ্যজাত শিশু,
মাতৃবক্ষ আঁকড়ে বাঁচে,বিভেদ হয়না কিছু।
ভাবতে পারো,এটাই সত্যি!
“শিশুর ধর্ম হিন্দু নাকি মুসলিম?”
জন্মলগ্নে আইনত তা করা হয়ে গেছে নিশ্চিত!
আমরা কি পারিনা,একটা সদ্যপ্রস্ফুটিত প্রাণকে শেকড়চ্যুত না ক’রে
কোন অদূর ভবিষ্যতের পূর্ণতা উপহার দিতে?
বোমা বন্দুকের হিংস্র গর্জনে নয়,
স্নিগ্ধ ভালবাসার পবিত্রতা আর শিক্ষার দৃপ্তস্পর্শে,
‘গর্জে উঠুক’ তার মনুষ্যত্ববোধ।
তার পরিচয়,সে ‘মানুষ’...ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।।
কূটনৈতিক চাল বা রাজনৈতিক বেড়াজাল নয়,
ভেক ধার্মিকতার মুখোশ বা আতঙ্কবাদের চোখ রাঙানি নয়,
সাম্প্রদায়িকতা কিংবা জেহাদের নৃশংসতা নয়,
বাবরি মসজিদ আর রাম মন্দিরের অন্তর্দ্বন্দ্বে নয়,
শুধুই অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান সংস্থানের যান্ত্রিকতায়
হাঁপিয়ে ওঠা প্রাণ,অনিশ্চিত লক্ষ্যহীন-
‘ভবিষ্যৎময়’ জীবনকে টানতে টানতে নয়,
সমাজের নিয়মচালিত যন্ত্রে নিখোঁজ নিষ্পেষিত সত্ত্বা,
‘আমিত্ব’-এর ভারসাম্য হারিয়ে নয়,
আত্মকেন্দ্রিকতার কেন্দ্রে ঘুরপাক খেতে খেতে নয়,
মূল্যহীন মূল্যের টানে মূল্যবোধ হারিয়ে-
মৌলিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ছুটতে ছুটতে নয়,
কিংবা নিজের ‘পদমর্যাদা’র গাম্ভীর্যে...
অমর মহত্বকে রাস্তার মোড়ের
প্রাণহীন নিশ্চলতার শিলারূপ দিয়ে নয়,
সম্মান জানানোর অভিনয়ে,বিবেকবোধ খুইয়ে নয়।
সে বাঁচুক.....তোমার আমার ভালোবাসার প্রতীক হয়ে।
একটা শান্ত,স্নিগ্ধ,নিষ্পাপ,আইনের জটিলতাবিহীন ‘পৃথিবীর নাগরিক’ হয়ে।
আর বাঁচুক,আরেকটা ভবিষ্যতকে পূর্ণতা দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে,
ঘর বাঁধার স্বপ্নের বাস্তবায়নে।
দেশ-কাল-ধর্মের সব কাঁটাতার ফুঁড়ে
মানুষের জন্য,মানুষের ভিড়ে।
তার চিরনবীন দৃপ্ত হৃদস্পন্দনে প্রতিধ্বনিত হোক ‘তীব্র ভালোবাসা’।
তার শেষ রক্তবিন্দুতে লেগে থাকুক উষ্ণতা ‘ভালোবাসা’-র।
তার পরিচয়,সে ‘মানুষ’...ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।।

Beautiful
ReplyDelete