Total Pageviews

Thursday, 22 March 2012

শিরোনামহীন...... ( কিছু নৈঃশব্দ আর মুখোমুখি আমি )

আমি মুখ বুজে দুঃখকে গিলতে পারি আর আনন্দকে উগরাতে ভালোবাসি। মাঝে মাঝে যখন খুব আনন্দ জীবনে আসে,মনে হয়, কাউকে জড়িয়ে ধরে আমার সবটুকু আনন্দ ভাগ করে নিই। মনে হয়, পৃথিবীর সব কাঁটাতার ভেদ করে ছুটে যাই,আমার আমিত্বকে জানান দিই। কিন্তু যখন কোন ঈশারা মেলেনা তখন দুঃখটা অনেক গভীরে ছুঁয়ে যায়। আমার কিচ্ছু ভালো লাগেনা। একাকিত্ব, নৈরাশ্য আমায় গ্রাস করে। কেউ বোঝেনা,"পৃথিবী" শব্দটা যে আমার কাছে অনেক সীমিত। আমি নতুন করে বাঁচবো বলে আশা নিয়ে রোজ রোজ মরি। তবু আমার অন্তরতমকে অন্তরের অতলান্তিকে খুঁজে না পাই। আমি নিজেকে এড়াই। আমি কাঁদি। আমি নির্বাক চোখে স্মিত-ভাষী মুখোশ পড়ি।

Wednesday, 14 March 2012

No, I won't...


I dreamt of a hand.
To stand for me.
To face my fears.
To hold me tight.
To love me back forever.
& Probably it was your shoulder.
& obviously, it was my fault.
Again, I have fallen asleep !
My ears were expecting a sweet confessing whisper,
"Yes. I do."
... But
I woke up.
When you said,"No. I won't."

Saturday, 10 March 2012

ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া

ওহে বসন্ত,আজ যে দোলের খেলা,রঙের মেলা । 
আর কবে সবগুলো গাছ ছেয়ে যাবে রাঙা পলাশে ?
তেপান্তর আজও রক্তে ভেজা,মানুষের লাশে ।
কেন এত চাপ চাপ রক্ত চারিদিকে ?
জানলার শিক ধরে আমি দু'চোখ ভরে রাস্তা দেখেছি
একটা বাচ্চা ছুটছিলো,খেলছিল দিব্যি,দুম করে পড়ে গেলো বেচারা।
কেঁদে উঠলো "মা" বলে ।
সদ্য হাঁটতে শেখা শিশু,মা এসে তাকে কোলে তুলে,সোহাগ ভরে বলেছিল,
"
কাঁদে না আমার গুন্ডাসোনা । ও তোমায় মেলেছে ? ব্যথা দিয়েছে ? আমিও ওকে মেলেদিলাম ।"
আমি হাসতাম দেখতাম
কিভাবে একটা শিশুকে আমরা হাতেখড়ি দিই বদলা নেওয়ার
শিশুর হতচকিত কান্নাও থামে,হিংসার বর্ণপরিচয়ে !
প্রতিশোধের দ্বিতীয় ভাগ শুরু হয় ।
যখন,বাবা আদর করে ছেলের জন্য দামী খেলনা মারণাস্ত্র কিনে আনে ।

এভাবেই বোধ হয়,সে শিখতে থাকে,
কি করে জীবনের মোকাবিলা করতে হয়,জীবনসংগ্রামের মধ্যে দিয়ে

ছেলে এখন খেলার মাঠে রব তোলে, “করবো-লড়বো-জিতবো রে!”
কম্পিউটারে মত্ত থাকে,মাফিয়াদের যুদ্ধে ।
স্কুলে যেয়ে বন্ধু পেটায়,পাশ থেকে কেউ চিল্লায়, “মার ! মার !”
ছেলে এখন বড় হয়ে গেছে,বেঁচে থাকার উপায়গুলো বুঝে নিয়েছে ।
মারের বদলা আরও মার । খুনের বদলা আরও খুন

নিয়ম বলছে, বাঁচতে হলে,মারতে হবে ।
আমি তো ভালোবাসার অপরাধে কবেই মারা পড়েছি,সমাজের হাতে !

গাছতলায় একটা কিছু পড়েছিল,
দূর থেকে ঝরে পরা শুকনো পলাশ মনে হল ।
আমি কুঁড়াতে গেলাম,পোশাকধারী সিপাহী এসে বাধা দিলো,ঘিরে ফেললো ।
বললো,অনির্ধারিত কোন কিছুতে আঙুল ছোঁয়ান এখন নিষিদ্ধ ।
বিস্ফোরক হতে পারে !
শুনে,আমিও বোধ হয়,সেই শুকনো পলাশটার মতো কুঁকড়ে গেছিলাম ।
ঘরে ফিরে আর সাহস জোটেনি জানলার শিকগুলো ধরে দাঁড়াবার

হা ঈশ্বর ! এ কোন সকাল ?
বসন্তের এই মাতাল সমীরণে,ঘরের ভেতর সেঁধনো প্রাণ ।
জানলা বন্ধ করো শিগগির,ভয়ে আমার দম বন্ধ হয়ে আসে

ফুল ফুটুক,না ফুটুক ক্যালেন্ডার বলছে আজ বসন্ত ।
তবে,রঙে নয় রক্তে রাঙানো অঙ্গন ।
ভ্রাতৃঘাতীও আজ এ মঞ্চে, “যোদ্ধা” আখ্যা পায় ।
শিমুল-পলাশ ফোটেও যদি,
ওহে বসন্ত,আজ তোমায় দিলাম ছুটি ।
ভয় পাই আমি,ভুল করে হাত বাড়াই যদি ।
লাল টুকটুকে যত আছে ফুল,ছুঁলেই যদি,
গলতে গলতে হয় রক্তের নদী !!!

Saturday, 3 March 2012

Who am I?

Once again, I am in search of me ...Once again, standing in a crowded street, I am listening to my own heartbeat.....I am..... whoever I am... whatever I am...I am more than I am .

I know, I am too little to change the World but I am one of the revolutionists, one of the warriors of this renaissance. And
my desires go beyond my imagination. I do believe that everything will change someday,may be then,when I will be gone with time....may be then,when I will be turned to dust ...
You may say, I am a dreamer but am not the only one. And I do believe that someday you will also join us. The day, World will be as one. Will you then too keep asking that Who am I? What am I?

Ha ha ha......... I will be there with all your answers man. " I am a citizen of this world. I am a human being by my religion. I am all yours by my faith. I am standing beside you in all your needs by my passion. & yeah, I am a lover by my occupation."

May be then too I will keep searching me in myself or in thy, may be then too once again, I will ask my heart, Who am I.... What am I....?????


I wish once again my heart will whisper...

I am whatever I am !!!

Friday, 2 March 2012

পথের দিশারী,তুমি যা বলেছিলে (প্রয়াত নেতা কমরেড জ্যোতি বসু’র স্মরণে)


 শ্রমিক-বস্তি থেকে উঠে আসা বাহাদুর মজদুর,
                           নিজের টুকরো জমির আলে দাঁড়ানো হিম্মতদার কৃষক,
   জঙ্গল-মহলে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে লড়তে থাকা খেটে খাওয়া মানুষের শরীরে-মননে
                           উদ্ভাসিত হোক আন্দোলনের তরঙ্গ!
   শ্রমজীবির প্রতিবাদের ভাষায়, প্রতিরোধের আগুনে দৃপ্ত হয়ে উড়ুক লাল নিশান!
             মেহনতি মানুষের স্পন্দিত বুকে জাগুক লড়াইয়ের প্রতিশব্দ!
  পথ আমার,তুমিও আমার,আমি তো আমারই, জানি! তবে কেন এত দ্বন্দ্ব বলতো?
     কে যেন এক বহিরাগত বুকে দিয়ে বন্দুকের গোঁতা রেখেছে আমায় স্থির!
                                এ কে জানো?
      এ হ’ল আমার মাতৃহন্তা,দুয়ারে দাঁড়িয়ে আমায় দিচ্ছে আমার নিরাপত্তা!
            দল ভাঁড়িয়ে মানুষ মেরে; জানায় আমায় আগাম শান্তিবার্তা!
              আর কত চুপ থাকবো বলো তো? নাচবো সুতোর টানে?
     স্থির আমি আজ জানাবো ওদের,সহ্যশক্তি বাঁধ ভেঙে গেলে “আমি”ও লড়তে জানে!
আর কি দেখবো পথের শেষ প্রান্তে? চলো,একেবারে ঝলসে যাওয়ার আগে; জ্বলে উঠে দেখি
                           নোংরামিগুলো জ্বালাতে পারি নাকি!
ভয় কি আমার? তুমি তো আছোই! পথ দেখাবে ব’লে! অন্ধকারে হারিয়ে গেলে হাতটা ধোরো টেনে।
হারানোর শুধু প্রাণটা আছে,জেতার জন্য বিশ্ব! তুমি ছাড়া এই বিশাল বিশ্বে আমি যে বড়ই নিঃস্ব!
কথার ভাঁজে কথা বলি, ভাত দিয়ে খাই নুন...আমার গর্ব,বিশ্বাসে তুমি! আমরা করিনা খুন।
     মুক্তি আমার শরীরের ভাষা,দেহ-মন নিয়ে আমি করিনা ব্যবসা,সাথী মানে বুঝি ঘরবাঁধা
                        আর দেহ মানে বুঝি রক্তের বন্ধন...
                 এ পৃথিবীকে বাসযোগ্য বানাবো,এটাই মৃত্যুপণ।
                       “পরিবর্তন” মানে নৃশংসতা,মাকে ভাইকে খুন!
    তারপর দেখি আত্মহত্যা! মনে হল,মাঝসমুদ্রে ভেলা ভাসিয়েছে...তাতেও লেগেছে ঘুণ।
                 দিন এনে আমি রোজ দিন খাই,ভালবাসা নিয়ে বাঁচি।
                 ঘর-পরিবার,পেটভরা ভাত...এটাই আমার হাসি;
                 লন্ডনে যেয়ে ব্যালকনি বেয়ে আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন,
                     কাক যদি মিছে ময়ূর সাজে, সে তবে নির্লজ্জ!
                  আমি আমাতেই খুশি আছি;আর সুখী তোমায় ছুঁয়ে...
 নিজেকে হারাই তোমার বুকে,ভালবাসার স্রোতে...খুব কম লাগে, এই দাবীগুলো বুঝি?
 তবু জেনে নাও,এটাই কঠোর সত্যি! তুমিই আমার পরম প্রাপ্তি...আমার চরম স্পর্ধা!
                        ভালবাসা আর তোমার কাছে আমি যে বেপর্দা।
    শ্রমিক, মজুর, কৃষক ভাইরা কৃতজ্ঞ আজ আমি,তোমরা শুধু আমাদেরই নয়...
                               বাঁচাও আমাদের আগামী।
আমি বড়ই ক্লান্ত আজ,তবুও যাবনা থেমে...আমার মায়ের খুনিকে কখনও ক্ষমা করবোনা আমি!
                    বলার ছিল একটাই কথা...জানিনা কার সৃষ্টি!
                  “একতাই বল”-এটাই শক্তি,জেনে নাও সব সত্যি।
       “লাল সেলাম” আমি জানালাম তাই বীর ভাই একজোট,স্থির করে নাও লক্ষ্য সবার।
                   সময় এসেছে জানিয়ে দেওয়ার “আমরা নই কাতর”।
                       বিপ্লব হোক দীর্ঘজীবী, জয় আমাদের সবার ।
বিশ্বাস রাখি নিজের উপর, অভুক্ত তৃষ্ণার্ত প্রাণের জন্য রক্তিম আকাশ ছাপিয়ে বৃষ্টি নামবে আবার।।

Communism- Marxian Theory of Socialism


Marxism is an economic and socio-political worldview that contains within it a political ideology for how to change and improve society by implementing socialism. Originally developed in the early to mid nineteenth century by two German émigrés living in Britain, Karl Marx and Friedrich Engels, Marxism is based upon a materialist interpretation of history. Taking the idea that social change occurs... because of the struggle between different classes within society who are constantly competing to improve their conditions, the Marxist analysis leads to the conclusion that capitalism, the currently dominant form of economic management, leads to the oppression of the proletariat, who not only make up the majority of the world's populace but who also spend their lives working for the benefit of the bourgeoisie, or the wealthy ruling class in society.

To correct this inequality between the bourgeoisie, who are the wealthy minority, and the proletariat, who are the poorer majority, Marxism advocates, and believes in the historical inevitability of, a proletarian revolution, when the proletariat take control of government, and then implement reforms to benefit their class, namely the confiscation of private property which is then taken under state control and run for the benefit of the people rather than for the interests of private profit. Such a system is socialism, although Marxists believe that eventually a socialist society would develop into an entirely classless system, which is known as communism in Marxist thought.

A Marxist understanding of history and of society has been adopted by academics studying in a wide range of disciplines, including archaeology, anthropology,[1] media studies,[2] political science, theatre, history, sociological theory, cultural studies, education, economics, geography, literary criticism, aesthetics, critical psychology, and philosophy.[3]

Throughout the twentieth and twenty-first centuries, Marxist governments have taken power in a variety of nations across the world, and implemented socialist reforms. The first, and most powerful Marxist-run nation state was the Soviet Union, founded in 1922 following the Russian revolution of 1917. Several of its leaders, most notably Vladimir Lenin, Leon Trotsky and Joseph Stalin were also important Marxist theoreticians, formulating the theoretical trends of Marxism-Leninism, Trotskyism and Stalinism respectively. The other prominent Marxist power of the twentieth century was the People's Republic of China, instituted in 1949 following the Chinese Civil War, and its first leader, Mao Zedong, was also a noted theoretician, developing Maoism. Today, a number of nations continue to be run by Marxist leaders, including Cuba, Nepal, parts of India, and debatably Venezuela.

Thursday, 1 March 2012

তোমায় পাঠানো ' জঘন্য' একটা খোলা চিঠি আর আমার স্তব্ধতা

আজকের চিঠিতে একটা গল্প শোনাবো তোমায়। যেখানে, "আমি" একটা খুব সাধারণ মেয়ে। যার কোন রূপ নেই। গুণ নেই। হয়তো কিছুই নেই। তবু কারও মন ছুঁয়েছিল হয়তো আমার কাঁচা বয়সের মায়া, বন্ধ ঝিনুকের মত দুটি চোখের ভেতর লুকানো দু'ফোঁটা নিরেট অশ্রুবিন্দু। ভুলে গিয়েছিলাম,নিজের সাধারণত্বের কথা। এমন একটা মেয়ে কি কারও ভালোবাসার যোগ্য হতে পারে? নারীমন বড়ই মায়াময়, নীহারীকা। হায় রে আমার মৃত্যু চেতনা,আমার বেঁচে থাকার ইচ্ছা,আমার ভালোবাসা ! পিছনের অনেক কিছু মনে পড়ে,ভুলতে চাওয়া-কোন গুরু অপরাধ বুঝি। এক একটা ছোট ছোট কষ্ট পাহাড়ের মত চেপে ধরে। ছোট ছোট অবহেলা গুলো আমাকে অসহনীয় যন্ত্রণায় বিষিয়ে দেয়। ঘড়ির কাঁটা টিকটিক শব্দে ঘুরে চলে,মাঝেমাঝে ভাবি,এই বুঝি বন্ধ হয়ে যাবে। তারপর,আবার সূর্য উঠে যায়। আমি কাঁদি। ইচ্ছে করে,সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেই। কিন্তু পারিনা। আমি অস্থির হয়ে উঠি। আমি যে নিজের সাথে ভালোবাসাকে জড়িয়ে ফেলি। সে যেদিকে যায়,আমিও সম্মোহিতের মতো সেদিকেই ছুটি। অথচ,আমাকে অবাক করে দিয়ে সে একদম চুপ করে বসে থাকে। যেন আমি ব'লে কেউ কোনদিন ছিলামই না!

আমি হাজার হাজার প্রশ্ন করি,হয়তো একই প্রশ্ন হাজারবার করি। তুমি আমায় ভালোবাসো তো? আমায় ছেড়ে যাবেনা তো? আমায় ভালো লাগছে? কবে আসবে? আমায় কবে নিয়ে যাবে? কখনও সে এসব শুনে বিব্রত হয়। কখনও নিরুত্তর থাকে। কখনও বলে,জানিনা। কখনও কথা ঘোরায়। আমি সব বুঝেও স্তব্ধ থাকি। তার এই উদাসীনতা আমাকে কষ্ট দেয়। একটি মনুষ্য পরিচয়ের বাইরেও যে আমার দেশ-ধর্মকে জড়িয়ে এত এত পরিচয় হতে পারে,ভাবিনি কোনোদিন। মাঝেমাঝে ভাবি,তবে কি আমায় নিয়ে খেলেছিলে? আমারই গলা জড়িয়ে ধরে,আমারই পিঠে ছোঁরা মেরেদিলে? কে অপরাধী? আমি? তুমি? না বিধি? মাঝেমাঝে মনে হয়,এই মানুষটাকে তো ভালবাসিনি! তবু,ভালোবাসি।
সে বলে,"তোমার পাশেই আছি, তুমি দেখতে পাওনা।" আসলেই আমি অন্ধ। আমি দেখতে পাইনা তোমাকে। দেখার তৃষ্ণা জাগে। বলি, "চল,সব কিছু ছেড়ে অনেক দূরে কোথাও পালিয়ে যাই।" তুমি আসো না। আমি মনকে বুঝাই,আজ না কাল,কাল না পরশু। অভিমানী দুটি বিনিদ্র চোখ তবু,স্বপ্নে বিভোর। প্রত্যেকদিন ভোর আসে,সাজু নতুন আশায় বুক বাঁধে। শ্রেয়সী সেই চিরপরিচিত "প্রেয়সী" ডাকের অপেক্ষায় রোজ রোজ শ্রেয়ানের জন্য দিন গোনে। কবে এ অপেক্ষার অবসান হবে? পরিণতি কি হবে? আজীবন মৃত্যু নাকি আমরণ সুখ?
দেওয়াল জুড়ে তার লেখনী চোখে ভাসে,

"সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন
সন্ধা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;
পৃথিবীর সব রঙ নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন
তখন গল্পের তরে জোনাকির রঙে ঝিলমিল;
সব পাখি ঘরে আসে-সব নদী। ফুরায় এ জীবনের সব লেনদেন;
থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন।"

আমার ভিতরে তোমার সেই বনলতা সেন কি বাস করে? আমার ভিতরের মানুষটা কে? আমি তো তাকে চিনি না। সমস্ত দিনের ব্যস্ততার শেষে আমি শুধু একটু শান্তি চাই। আর আমার সেই তৃপ্ত মুহূর্তে তোমাকে চাই। তুমি আর আমি। আরও গভীরভাবে কাছে পেতে চাই। গাঢ় একটা চুমুতে আমি সুখ খুঁজে যাই। অনাবৃত আলিঙ্গনে জড়িয়ে ধরে আরও নীবিড় হতে চাই। চোখে না দেখা অনুভুতির ভাষাগুলো স্পর্শে পড়তে চাই। দোহাই তোমার,আমার এই অতি সাধারণ মনুষ্যত্বের গভীরে যদি এতটুকু কিছু অসাধারণত্ব খুঁজে পাওয়া নাও যায়,তবু,আমাকে আমার মতো করে একটু ভালবাসতে পারো তুমি?
হায় রে,বিধাতার লিখন ! ভালোবেসে যাকে ছুঁই,সে যায় দূর পরবাসে। যে ব্যথা দেয়,সে বোঝে না ব্যথার কি রূপ, আর যে ব্যথা পায়,সে জানেনা এ ব্যথা কি করে অস্বীকার করতে হয় ! কি অদ্ভুত এক গভীর সম্পর্ক লুকিয়ে থাকে ভালোবাসা আর ব্যথা পাওয়ার মধ্যে ! হায় রে সামান্য মেয়ে ! হায় রে বিধাতার শক্তির অপব্যয় ! বিছানায় শুয়ে শুয়ে প্রতি রাতের অন্ধকারে আমার কৃপণতম ঈশ্বরের কাছে যে অসম্ভব বর চেয়ে যাই,জানি,সে বর আমি পাবো না। তবু প্রার্থনা,সে বর যেন পায় তোমার মনমোহিনী নায়িকা। তার রূপের চটকে,গুণের ছটাকে আমার এই 'দুঃখবিলাসী' স্তব্ধতাকে না হয় ভুলেই থেকো। তবু,তুমি ভালো থেকো।

I,21....THE WONDER FOOL


Those reading me....
for the first time
should start with a full stop.

A girl recounts an unforgottable lesson
Life learnt her at the age of 21 years
which
Oppressed her to forget the WAY TO LIFE!!!

Yes....!
"SURVIVAL OF THE FITTEST"
Theory rules!!!

It's me....I
THE WONDER FOOL
And
It's about me!

How I made a mistake &.....
Then realized,
Breathing free itself
Is the REVOLUTION
In my LIFE..




I have found my Destination


His eyes have chosen me for deserving his Love.
Oh, my heartbeat please stop being so restless !!!
I have found my Destination.
His eyes have understood me.

Yes, his decision is acceptable to me forever.
My every glance is saying,
“Oh, Lord! Thank you for everything.”
I am so happy with my every breath that,
He has blended me into his Life
With his beautiful smile.
Oh, my heartbeat please stop being so restless !!!
I have found my Destination.
His eyes have understood me.

I am so lucky.
‘Cause I know, I am also his Destination;
As he is mine.
Oh, my heart ! now you are strong enough
To stand against all the chain of values of this fake society.
Why should I fear a storm when I know I have found my shore!
Someone please tell the storm that my back man, my love
Is right here; to protect me, to held me up,
To face the World, to have the faith
With dignity till Eternity.
Oh, my heartbeat please stop being so restless !!!
I have found my Destination.
His eyes have understood me.

He makes me so proud.
He has promised, never to lose me in the crowd…
‘cause he also needs me to take care of him.
Let everyone know, I am my Love’s
And my Love is mine.
Oh, my heartbeat please stop being so restless !!!
I have found my Destination.
His eyes have understood me.

It’s so comforting to feel the warmth of his every breathe.
It’s so soothing to feel his shadow has fallen upon my heart.
I have obtained all the joys of this Universe in him
With his every expression of satisfaction,
With his touch par excellence.
Oh, my heartbeat please stop being so restless !!!
I have found my Destination.
His eyes have understood me.
His eyes have chosen me for deserving his Love forever.

I believe


I believe, nothing is permanent ....
Tough moments do pass, just like great moments does .....!!
I believe, “Believing” means giving someone the authority to destroy me completely.
But having the confidence that he would never do it.
I believe, I can't believe all the time & can just feel hopeless at times....
I believe, I too deserve to feel weak & seek for a shoulder to cry..
I believe, if I can feel so awfully devastated, I've got the power of getting over it.
& I believe, I can't be confined ........
I believe, I've got two wings.......but do you believe that I can really make you fly ......??
Yes. I do confess tonight that I’ve started loving you from the morning.
But, could you take my love ???

HOW LONG SHOULD I WAIT?


On Monday I was waiting for Tuesday.
And tomorrow never came!
The days got wasted waiting for the Evangelina.
Someone told me to move on and try harder
That man was Abraham Lincoln.
But I couldn't get over it even after the day passed!
So, I was still looking for Tuesday,
On a Wednesday.
When someone told me that it was almost a week to it.
No one should waste so much time wandering!
That man was Charles Darwin.
Then on Thursday I thought I’d rather find someone close,
Like Friday!
Then someone said it’s only the next day!
I ought to be more patient.
That man was Robinson Crusoe.
Then all day Friday I kept thinking it was Saturday.
Days go by days never seem to take pity.....
So, on Saturday I slept till late afternoon
And when I woke up I didn’t know what day it was!
Serendipity laughed out loud.
The next day was a holiday.
Church hymns were heard.
I died waiting for someday ....................!!!

২৬শে জানুয়ারী,গণতন্ত্র দিবস


গণতন্ত্র মানে ২৬শে জানুয়ারী,লালকেল্লার তেরঙ্গা !
ঠিক তার নিচে,বুলেটপ্রুফ বাক্সে বন্দী ঠুনকো পররাষ্ট্র নীতি;
উঁকি মারে ইতি উতি ।
তার সাথে ফাউ আছে গৎবাঁধা প্রতিশ্রুতি ।
আজ নাকি ‘গণতন্ত্রের দিন’ ?
আমার তো আজ অফিস বন্ধ,চারিদিকে বেশ ছুটি ছুটি গন্ধ !
লোকে বলে,আমরা নাকি ‘উন্নত নই,উন্নয়নশীল দেশ’ ।
আমি বলি,পুরো পৃথিবীটা ‘আমাদের দেশ’

যেখানেই যাই,দুটো শব্দ শুনি-
একটা সর্বহারার আর্তনাদ ভরা হাহাকার,
আর একটা সর্বগ্রাসী উন্মত্ত হুংকার ।
দেশ বিভাজন আইনত বহু পুরনো রীতি ।
মাঝে একটা কাঁটাতার,ব্যস...তুমি আমি ভিনজাতি !
তোমায় আমি ভালোবাসি,তাতে কি ?
রাম মন্দির,বাবরি মসজিদ-বিতর্ক আজও থামে কি ?
আর দেশের আইন ???
সে তো আসলে জ্ঞানী গুণী কিছু বুদ্ধিজীবী
আর পুতুল নাচিয়ে রাজনীতিবিদদের
জটিল কূটনীতি ।
একটা শরীরের দগদগে ক্ষত,দেহের রক্ত-
সবই নাকি ‘উদ্বাস্তু’ হয়ে যায় কাঁটাতার পেরিয়ে এসে, ‘তোমার দেশে’

আমার তো আজ গণতন্ত্রের ছুটি,ঘটা করে তেরঙ্গা উড়িয়েছি !
বইতে পড়েছি,
তেরঙ্গা মানে নাকি,ত্যাগ ।
আর আমি দেখেছি,আভিজাত্য শুষেছে দারিদ্র্যকে ।
তেরঙ্গা মানে নাকি,সাম্য-শান্তি ।
আমি দেখেছি,গুলি বোমার গর্জনে
ঝাঁকে ঝাঁকে পায়রা উড়েছে আকাশে ।
তেরঙ্গা মানে,চিরসবুজ শ্যামলা এ ধরণী ।
তেরঙ্গা মানে নাকি,উদ্দীপ্ত যৌবন ।
আমি দেখেছি,দুর্ভিক্ষ-মহামারী-হত্যাকাণ্ড নির্মম ।
আরও দেখেছি,মাদক চক্র-ধর্ষণ-শিশুশ্রম ।
আমার আজ গণতন্ত্রের ছুটি,এরচেয়ে বেশি কারণ জেনে কাজ কি ?
আজকের দিনে ব্রিগেডে প্যারেড-
শীতের ছুটিতে সেটা তো একটা দেখার জিনিষ  !
তবে,শুধুমাত্র তাদের জন্য-যারা ‘নিউলি ম্যারেড’ ।
স্বাধীন দেশের সব নাগরিক গণতন্ত্র মানে ।
গণতান্ত্রিক অধিকার ঠিক জানে ।
গণতন্ত্র বলেছে নাকি,দিওনা কর ফাঁকি ।
চুপিচুপি বলে রাখি,আমারও কর বাকি !
“গণতন্ত্র”-এর আসল মানেটা আমার জানা নেই

শুধু জানি,আজ ছুটি,পাড়ায় পাড়ায় বড় চেঁচামেচি,কি যে তার কারণ !
গণতন্ত্র মানে,আমি দেখেছি-
রাস্তা জুড়ে স্টেজ বানিয়ে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান ।
কতশত নেতাদের কত দুর্বোধ্য ভাষণ,প্রবল উৎসুক জনসমাবেশ ।
“রবীন্দ্রনাথ,বিবেকানন্দ,বীর সুভাষের এ মহাদেশ” !
তার মাঝে ঐ জনে জনে ঘুরে হাত পেতে থাকে,ক্ষুধার্ত এক ক্ষুদে প্রাণ

আর রাস্তার ধারে দড়ি ছিঁড়ে পড়ে যায় কাগজের পতাকা !
পদপিষ্ট হতে হতে,গণতন্ত্রের ভারে সেই তেরঙ্গা বুঝি বা করেছে আত্মহনন ।।

‘মানুষ’...ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি


মন্দিরের ঘণ্টা কিংবা মসজিদের আজান,
গুম্ফার নীরবতা কিংবা চার্চের প্রার্থনা...
কেউতো চায়নি,তাদের আত্মনিবেদনের দীপশিখায়
পুড়ে মরুক তার জন্মদাত্রী কিংবা তার নিষ্পাপ শিশু!
চেয়েছিল একটা আলোকিত পথ;
যে আলোয় ধুয়ে যাবে,অন্তরের অন্তঃপুরের সব অন্ধকার।
জন্মলগ্নে
আমার ধর্ম আইন দ্বারা নিশ্চিত,পরিচয় রয় অজ্ঞাত!
বাবার সাধের গৃহলক্ষ্মী,শ্রেষ্ঠতমা,নির্ভীক।
জানিনা,আদৌ কতটা
ঠিক যোগ্য?
আমার আসল পরিচয় হ’ল, “আইনত আমি হিন্দু
শ্রেয়সী হয়ে জন্ম,তবে মৃত্যুমুহূর্তে হয়তো প্রেয়সী ..
মৃত্যুলগ্ন
ঠিক জানা নেই,জীবন চরম অনিশ্চিত
তবু জেনে রাখো,
আইন আমায় কর্ম দেয়নি,ধর্ম করেছে নিশ্চিত!!!
পৃথিবীর বুকে ভূমিষ্ঠ হওয়া সদ্যজাত শিশু,
মাতৃবক্ষ আঁকড়ে বাঁচে,বিভেদ হয়না কিছু।
ভাবতে পারো,এটাই সত্যি!
“শিশুর ধর্ম হিন্দু নাকি মুসলিম?”
জন্মলগ্নে আইনত তা করা হয়ে গেছে নিশ্চিত!
আমরা কি পারিনা,একটা সদ্যপ্রস্ফুটিত প্রাণকে শেকড়চ্যুত না ক’রে
কোন অদূর ভবিষ্যতের পূর্ণতা উপহার দিতে?
বোমা বন্দুকের হিংস্র গর্জনে নয়,
স্নিগ্ধ
ভালবাসার পবিত্রতা আর শিক্ষার দৃপ্তস্পর্শে,
‘গর্জে উঠুক’ তার মনুষ্যত্ববোধ

তার পরিচয়,সে ‘মানুষ’...ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।।

কূটনৈতিক চাল বা রাজনৈতিক বেড়াজাল নয়,
ভেক ধার্মিকতার মুখোশ বা আতঙ্কবাদের চোখ রাঙানি নয়,
সাম্প্রদায়িকতা কিংবা জেহাদের নৃশংসতা নয়,
বাবরি মসজিদ আর রাম মন্দিরের অন্তর্দ্বন্দ্বে নয়,
শুধুই অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান সংস্থানের যান্ত্রিকতায়
হাঁপিয়ে ওঠা প্রাণ,অনিশ্চিত লক্ষ্যহীন-
‘ভবিষ্যৎময়’ জীবনকে টানতে টানতে নয়,
সমাজের নিয়মচালিত যন্ত্রে নিখোঁজ নিষ্পেষিত সত্ত্বা,
‘আমিত্ব’-এর ভারসাম্য হারিয়ে নয়,
আত্মকেন্দ্রিকতার কেন্দ্রে ঘুরপাক খেতে খেতে নয়,
মূল্যহীন মূল্যের টানে মূল্যবোধ হারিয়ে-
মৌলিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ছুটতে ছুটতে নয়,
কিংবা নিজের ‘পদমর্যাদা’র গাম্ভীর্যে...
অমর মহত্বকে রাস্তার মোড়ের
প্রাণহীন নিশ্চলতার শিলারূপ দিয়ে নয়,
সম্মান জানানোর অভিনয়ে,বিবেকবোধ খুইয়ে নয়।



সে বাঁচুক.....তোমার আমার ভালোবাসার প্রতীক হয়ে।
একটা শান্ত,স্নিগ্ধ,নিষ্পাপ,আইনের জটিলতাবিহীন ‘পৃথিবীর নাগরিক’ হয়ে।
আর বাঁচুক,আরেকটা ভবিষ্যতকে পূর্ণতা দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে,
ঘর বাঁধার স্বপ্নের বাস্তবায়নে।
দেশ-কাল-ধর্মের সব কাঁটাতার ফুঁড়ে
মানুষের জন্য,মানুষের ভিড়ে।
তার চিরনবীন দৃপ্ত হৃদস্পন্দনে প্রতিধ্বনিত হোক ‘তীব্র ভালোবাসা’।
তার শেষ রক্তবিন্দুতে লেগে থাকুক উষ্ণতা ‘ভালোবাসা’-র।
তার পরিচয়,সে ‘মানুষ’...ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।।